জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের থকেও বাজেট প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এনসিপির শীর্ষ নেতা আতিক মুজাহিদ বলেছেন, এটি একটি অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতা-বিবর্জিত বাজেট। সরকার প্রায় ২.৫ লাখ কোটি টাকার ঘাটতির কথা বললেও বাস্তবে ঘাটতির পরিমাণ সাড়ে ৪.৫ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। কারণ প্রস্তাবিত ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অর্জন করা Impossible । আমার ধারণা, রাজস্ব আদায়ে ২ লাখ কোটিরও বেশি ঘাটতি থেকে যেতে পারে। সুতরাং, প্রকৃত হিসাব বিবেচনায় এই বাজেট বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর তৎক্ষণাৎ দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বাজেটে এতো বেশি আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে যে, বাজেটকে আশাবাদে ভারাক্রান্ত বলে মনে হচ্ছে। এই বাজেট বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। তবে বাজেট সুলিখিত। বাজেট বক্তৃতায় জুলাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে,“সমাজ-সংস্কৃতির বুনন, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন”,জনমিতিকি লভ্যাংশ, দীর্ঘজীবিতা লভ্যাংশ ও গণতান্ত্রিক লভ্যাংশ এর কথা বলা হয়েছে। “স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও ন্যায্যতা”কে মূল বিবেচনা করে বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলো সাধুবাদযোগ্য।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুখপাত্র বলেন, করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো, কর্পোরেট কর না বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। বিদ্যমান করসীমার ভেতরে আদায়যোগ্য কর আদায় করতে পারলে এই বরাদ্দে কোন ঘাটতি তৈরি হবে না। অন্যদিকে বাংলাদেশ ন্যাপের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় জানানো হয় বাজেটের ঘাটতি মোকাবেলায় দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরার পরামর্শ দেন।