মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার বলিয়াগাঁও ইউনিয়নে গৃহবধূ মোছা. আছমা আক্তার (২৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পিবিআই জানায়, আছমা আক্তারের এটি ছিল দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথম বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখায় স্বামী ইমাম মুহাসিন মাতুব্বরের (৩২) সঙ্গে প্রায়ই কলহ হতো। এরই জের ধরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত স্বামী মো. মুহাসিন মাতুব্বরকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এর আগে, সোমবার (৬ জুলাই) সকালে পারিবারিক কলহের জেরে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে আছমাকে মারধর করেন মুহাসিন। পরে ধাক্কা দিলে তিনি কাঠের পাটাতনে পড়ে গুরুতর আহত হন। এরপর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী চার বছরের কন্যাকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে নিহতের ভাই শামীম তালুকদার বাদী হয়ে টঙ্গীবাড়ী থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের উপ-পুলিশ পরিদর্শক রনি দেবনাথ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পুলিশের অভিযানে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গোপালগঞ্জের মকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত মুহাসিন মাতুব্বরকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকালে আমলি আদালত-৪-এ হাজির করা হলে বিচারক শফিকুল ইসলাম-এর আদালতে আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।