বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশন এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, কুরআন হাদিসের আলোকে একটি ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকল মোয়াল্লেমকে কাজ করেতে হবে। তিনি বলেন কোরআন হচ্ছে আল্লাহকে পাওয়ার উত্তম মাধ্যম।

সোমবার বিকেলে ফেনী জেলা তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে এক মোয়াল্লেম সম্মেলনে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ফাউন্ডেশনের জেলা পরিচালক মাওলানা আব্দুল মালেকের সভাপতিিত্বে ও ফাউন্ডেশন এর জেলা সেক্রেটারী মাওলানা নাজমুল আহসানের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমির অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, জেলা আমীর মুফতি আব্দুল হান্নান, নোয়াখালী জেলার সাবেক আমীর মাওলানা আলাউদ্দিন, ফেনী জেলা জামাতেয়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবু ইউসুফ ও মাওলানা মাহমুদুল হক এবং জেলা সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুর রহিম। মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবু ইউসুফ, জেলা প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আনম আবদুর রহিম,জেলা সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস, শহর আমীর ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, কোরআনকে যাঁরা বুকে ধারণ করেছিলেন তারা ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও হাসতে পারেন। তিনি বলেন, এই কোরআনের মাধ্যমে সমাজকে পরিবর্তন করতে হবে। কোরআনের আলোয় নিজে আলোকিত হব পরিবার সমাজ ও দেশকে আলোকিত করবো।

অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন,মুয়াল্লেমদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে না নিয়ে একে মিশনারী কাজ হিসেবে নিবেন। তিনি বলেন, এটাকে কোরআনের খেদমত হিসেবে গ্রহণ করতে হবে এবং সকল ক্ষেত্রে আখেরাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

মুফতি আব্দুল হান্নান বলেন, কোরআনের চর্চা যত বেশি হবে সমাজ থেকে তত বেশি পাপ-পঙ্কিলতা দূর হবে তিনি ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে কোরআনের চর্চা বেগবান করার আহ্বান জানান।

এসময় ৪৫ দিন ব্যাপী মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ ৭ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এরমধ্যে ফেনী শাখার ছিলেন ৪ জন ও ফেনী সদর শাখার ছিলেন ৩ জন। এছাড়া প্রশিক্ষকদের মাঝে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।